একটি ছেলে একটি মেয়েকে
প্রচন্ড ভালোবাসতো,
কিন্তু মেয়েটা ছেলেটাকে ভালোবাসতো
না।
তাই, ছেলেটা একদিন মেয়েটার কাছে গিয়ে
বলল, আমি তোমাকে ভালোবাসি।
তুমি কেন বুঝতে পারনা?
তোমার খারাপ লাগবে বলে আমি
তোমার পিছু নিইনা, তোমার
খারাপ লাগবে বলে আমার কথাগুলো
শোনার অনুরধও করিনা।
কিন্তু আজ অনুরোধ করছি আমার
কথাগুলো শোনার জন্য।
কারন আমি আর থাকতে পারছিনা।
ঠিকমত খেতে পারছিনা, যেদিন থেকে
তোমায় দেখেছি ঘুমোতে পারছিনা।
ঘুমোবার সময় তোমার কথা ভাবতে
ভাবতে চোখে জল চলে আসে।
শুধু ভাবি তুমি কেন বুঝতে পারনা আমি
তোমায় কতটা ভালোবাসি।
তোমার মনে কি আমার জন্য
একটুও জায়গা নেই?
মেয়েটি কিছু না বলে চলে গেলো...
কয়েকদিন পর,
ছেলেটা মেয়েটিকে আবার বলল, তোমাকে
ছাড়া আমার নিঃসাস বন্ধ হয়ে আসছে।
তাই বারবার তোমার কাছে ছুটে আসতে
ইচ্ছে করে, তোমার সঙ্গে কথা বলতে
ইচ্ছে করে।
মেয়েটি বলল, আমার সঙ্গে এইসব নাটক
করা বাদ দাও।
ছেলেটি বলল,,আমার মুখের কথা মিথ্যে
হতে পারে, কিন্তু এই চোখের জল মিথ্যে
নয়।
আর নাটকের কথা বলছ তো, ঠিক আছে
তোমাকে দুই বছর ধরে ভালোবেসে
যাওয়া যদি নাটক হয়, তো এই নাটক আমি
সারাজিবনের জন্য
করে যাব। তোমায় ভালোবাসি, তোমাকে
ই ভালোবাসব, আর একটা কথা আমার এই
চোখের জল একদিন তোমাকেউ কাঁদাবে।
আর সেদিন হইতো আমি আর থাকবনা।
একদিন রাত্রে,
মেয়েটি ছেলেটির বন্ধুর কাছ থেকে
ছেলেটির মোবাইল নম্বর নিয়ে
ফোন করে বলল, আমি বৃষ্টি, তুমি আকাশ
তো?
ছেলেটি মানে আকাশ খুশি হয়ে বলল, তুমি
আমাকে ফোন করেছ বৃস্টি, আমি খুব খুশি
হয়েছি। বলো কি বলবে।
মেয়েটি বলল, তুমি আমাকে সত্যি
ভালোবাসো?
ছেলেটি বলল, হ্যাঁ।
মেয়েটি বলল, তাহলে তুমি আমার একটা
কথা রাখবে?
ছেলেটি বলল, বলো কি কথা।
মেয়েটি বলল, তুমি আমাকে ভুলে যাও,
আর আমি চাই তুমি কখনও আমায়
দেখার চেষ্টা করবেনা।
কারন আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে,
তাই আমি আর এইসবের মধ্যে জড়াতে
চাইনা।
ছেলেটি বলল, ঠিক আছে, তবে তোমাকে
আমি আর একটি বার দেখতে চাই।
মেয়েটি বলল, বল কখন।
কাল সকাল ৮টার সময় কলেজের
বড় বটগাছটার কাছে।
মেয়েটি বলল ঠিক আছে আমি আসব।
পরের দিন...
মেয়েটি সেখানে গিয়ে দেখে, ছেলেটি
গলায়
দড়ি দিয়েছে আর সেখানে একটা বড়
কাগজে রক্ত দিয়ে লেখা আছে "আজ আমি
ভীশন খুশি, কারন আমার প্রিয়
মানুষটির দেওয়া কথা আমি রাখতে
পেরেছি"।
আর সেখানে একটি ছোট্ট চিঠিও ছিলো,
যেটিতে লেখা ছিল...
জানু,
কাল রাত্রে আমার ভীষন কষ
এখানে পাবেন ভালবাসার গল্প,কবিতা, বিউটি, হেলথ, যৌন টিপস সহ মজার মজার সিবকিছু, তাই আপডেট পেতে সাথেই থাকুন।
শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬
একটা ছেলে একটা মেয়ে কে প্রচন্ড ভালবাসতো কিন্তু মেয়েটা ছেলেটা কে ভালবাসতো না।
বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬
ভালবাসার গল্প
.........
রাত ১০ টা , আর দুই ঘন্টা পর আমার
জন্মদিন, আমি হাইওয়ে তে হাটছি,
বলা যেতে পারে বিনা কারণেই
হাটছি, কারণ যে একেবারে নেই তা
না, কারো কাছ থেকে “Fake wish”
পেতে ইচ্ছে করছেনা, মোবাইলটাও
বাসার ড্রয়ার এ রেখে এসছি, সিধান্ত
নিয়েছি আজ রাত আমি আকাশের
সাথে কাটাবো।
আমি একাই হাটছি, আকাশ অন্ধকার,
কে যেন বলেছিল আজ নাকি পূর্ণিমা,
হাটার জন্য রাস্তার পাশের
সোডিয়াম লাইটগুলোই আমার ভরসা।
ঝিরঝিরি হাওয়ার সাথে ফোটা
ফোটা বৃষ্টি,--- বৃষ্টি বাড়ছেনা ,
আবার কমছেওনা, শুনশান নীরবতা, আমি
উদ্দেশ্যহীনভাবে হাটছি, কোণ পুলিশ
দেখলে হয়ুতো ধরেও নিয়ে যেতে
পারে,সব মিলে নীরবে কিছুক্ষণ
হাটার জন্য অস্থির পরিবেশ, আমি
হাটছি আবার মাঝে মাঝে দাঁড়িয়ে
যাচ্ছি, নিজের ছায়াকে দেখার
চেষ্টা করছি, ,কানে হেডফোন নেই,
তবুও কানে পাশে কে যেন গাইছে---
“আমার রাতজাগা তারা
তোমার আকাশ ছোয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুতে তোমায়
আমার একলা লাগে ভারি”
একা অনেক ক্ষণ পর পর এক এক টা বাস
এসে নীরবতা ভেঙ্গে দিচ্ছে,
নিজেকে রাস্তার রাজা মনে হচ্ছে।
কারণ রাস্তায় আমি ছাড়া আর কেউ
নেই।
হয়ত ভাবতে পারেন আমি একলা কেন
হাটছি, হয়ত আমার মন খারাপ আবার
নাও হতে পারে, আসলে বিশেষ কিছু
দিন যেমন ঈদ, জন্মদিন, পহেলা বৈশাখ
এসব দিনে কোন এক অজানা কারণেই
আমার মন খারাপ থাকে, আমার
জন্মদিন কালকে, তাই মন খারাপ কাল
হবার কথা, কিন্তু আজকে কেন হল
সেটা মাথায় আসছেনা, অবশ্য আস্তে
দিতেও চাচ্ছিনা, কারণ আমার
হাটতে এখন ভালো লাগছে, আমার
উপড় বৃষ্টি পড়ছে, কিন্তু আমি তাকে
আমার গায়ে জড়াতে পারছিনা,
আমার পায়ে ছোয়াতে পারছিনা,
আমার মুখে বুলাতে পারছিনা, আমার
মনের উঠান কে ভিজাতে
পারছিনা……মনে হল আমি অনেক বড়
একটা সুযোগ হারাচ্ছি, তাই শার্ট আর
জুতা খুলে হাতে নিয়ে নিলাম, কি
জানি কেন বৃষ্টি তখন জোড়ে পড়তে শুরু
করলো, এখন আর গান শুনতে পাচ্ছিনা,
শুধুই ঝুমঝুম ঝুম ঝুমঝুম……
কি জন্য যেন মনে হল বৃষ্টির মাসের
একটা নাম আছে, কি যেন সেটা !?????
হুম শ্রাবণ। ব্যাপার টা মনে পড়তেই
মনটা খুব বেশী খারাপ হয়ে গেল,
কারণ আমার “শ্রাবনী” র কথা খুব মনে
পড়ছে, বৃষ্টি হলেই ও আমাকে ফোন
করে বলতো, “চলেন ভিজি”, আমি
কখনো “না” করতাম না, আমরা দুজনেই
নিজেদের বারান্দায় দাঁড়িয়ে
বৃষ্টির ছিটাতে ভিজতাম, বৃষ্টি
গায়ে না মেখে মনে মাখতাম।
কিন্তু এখন বৃষ্টি ভালো লাগছেনা,
মনে হচ্ছে আকাশটাকে কোন চাদর
দিয়ে ঢেকে দিতে পারতাম !!!!!
আমাদের পরিচয় হয় ফেইসবুকের
মাধ্যমে, হঠাৎ একদিন knock করলাম,
উত্তর আসলো, “কেমন আছেন ??”
আমি বলেছিলাম “ভালো আছি”, এটুকুর
বেশী এখন কিছুই মনে পড়ছে না, কিন্তু
এরকম কেন হচ্ছে বুঝতে পারছিনা,
আরো অনেক কিছু মনে পড়ার কথা!!!
বৃষ্টি এখনো অনেক জোড়েই পড়ছে, ----
আমি ই প্রথম ওর নাম্বার চেয়েছিলাম,
অন্যান্য মেয়েদের মত “ Problem আছে”
না বলে ও বলেছিল, “ আমি কিন্তু খুব কম
কথা বলি, আপনাকেই সব কথা বলতে
হবে “
কথা বলতেই বলতেই ওর প্রতি আমার
একটা ভালোলাগা জন্মে যায়, ওর
নাম ছিল “ শ্রাবনী” , কথা বলার সময়
কি ভেবে যেন ফোন ধরেই
বলেছিলাম, “ শ্রাবণ ঝরা শ্রাবনী” !!!
ওর নাম টা খুব পছন্দ হল, নিজের ফেইসবুক
আইডি র নাম চেঞ্জ করে ““ শ্রাবণ ঝরা
শ্রাবনী” রাখলো।
ওর কিছু কথা আমার কানে এখন
ভাসছে, গানটা আর শুনতে পাচ্ছিনা,
কিছু হলেই ও বলতো, “ খারাপ খারাপ
কি খারাপ কি খারাপ কি খারাপ !!!”,
আর তখন আমি বলতাম , “UP”, আর ও বলতো
“ Down !!”
আমি ওকে “ শ্রাবণ “বলে ডাকতাম।
কথা বলার বেশ কিছুদিন পর জানতে
পারি মেয়েটি হিন্দু। মনে হয়েছিল
তাতে কি , আমি তো ওর সাথে প্রেম
করতে যাচ্ছিনা।কিন্তু এই নির্ভাবনাই
যে পরে গলার কাটা হবে সেটা
জানা ছিলনা।
আমি ওকে কখন ও দেখিনি, তাই ওকে
মনের ক্যানভাসেই একে
নিয়েছিলাম, প্রতিদিন কথা হত আর
আমি এক্ একটি করে অংগপ্রত্যংগ
আকতাম, কোন দিন চোখ, কোন দিন
চুল……নিজেকে নতুন করে কেমন যেন
আবিষ্কার করছিলাম, শ্রাবনের আমি
ছাড়া কথা বলার আর কেঊ ছিলনা, ওর
সব দুঃখ কষ্ট হাসি কান্না সব আমার
সাথে শেয়ার করত,এমন ও অনেক রাত
গেছে যখন পুরো রাত আমি ওর
অশ্রুগল্পের মুগ্ধ শ্রোতা ছিলাম, আমি
যেন না শুনতে পাই সে জন্য খুব চেপে
কান্না করার চেষ্টা করতো, কিন্তু
আমি যেন কিভবে বুঝতে পারতাম
,শ্রাবণ ঝরছে ……
শ্রাবন ই বেশীর ভাগ সময় ফোন দিত,
আমি ফোন ধরেই বলতাম
“ শ্রাবণ “ !!!
আর ও বলতো “ জী ইইইইইইইইইইইইইইই” …
বলেই অনেক্ষন টান দিয়ে ধরে
রাখতো।
আমি এখন ও রাস্তায় হাটছি, রাস্তার
বাতিগুলো এখনো জ্বলছে, রাতে
কালো, সোডিয়াম লাইটের হলুদ, আর
আমার নীল সব মিলে একাকার -----
হঠাৎ ই মনে হল আমি কানছি, কেন
কানছি জানিনা, বৃষ্টির জলের জন্য
আমি আমার চোখের জলকে চিনতে
পারছিনা, হয়তো আকাশ এর ও আজ মন
খারাপ। সেও আমার সাথে কানছে,
শ্রাবণ বলত “ ছেলেরা আবার কাদে
নাকি !!!”
শ্রাবণ কে আমি অনেক পছন্দ করতাম। না
দেখে কিভাবে ভালোবাসতে হয়
তা হয়ত ওই আমাকে শিখিয়েছে।
একদিন রাতে হঠাৎ ই ও আমাকে ফোন
করে বললো, “ আপনি কি আমাকে
ভালোবাসবেন ??, আমি কখনো কোন
দাবি করবোনা, অভিযোগ করবোনা,
শুধুই আপনাকে ভালোবাসবো !!!” বলেই
সে কেদে ফেললো। জীবনে প্রথম
আমি কেমন যেন স্তম্ভিত হয়ে গেলাম,
কিছুই বলতে পারিনি, শ্রাবন আঝরে
কাদছে, মনে হচ্ছিলো অর কাছে ছুটে
গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরে বলি , “I love
you too, Srabon “
কোন উত্তর দিতে পারিনি, বুঝতেই
পারছিলাম না, ওর কান্না থামাবো
নাকি “আমিও তোমাকে অনেক
ভালোবাসি “ বলবো…… আমার
নীরবতা কে ও হয়তো আমার “না”
ভেবে নিয়েছিলো, এটাই আমার
সাথে ওর শেষ কথা। ও কেন
কাঞ্ছিলো সেটা আমি আজ ও
জানিনা !!!
ক্যামেরা কিনতে ঢাকায় আসার কথা
ছিল আমার, সেখানেই দেখা করার
কথা ওর সাথে , ও Marks Dental College এ
পড়তো, ওর কোন বান্ধবী বা বাসার
কোন নাম্বার আমার কাছে ছিলনা,
তাই যে ৩ দিন আমি ঢাকাতে
ছিলাম, আমি ওদের কলেজের সামনে
এসে ডাড়িয়ে থাকতাম, আর ওকে
খুজতাম, ও সিম অফ করে
দিয়েছিল,যদিও আমি ওকে কখনো
দেখিনি তাই সামনা সামনি
দেখলেও চেনার কথা না, কিন্তু মন
থেকে কে যেন শুধু বলতো , শ্রাবন
আমাকে দেখলেই দৌড়ে এসে বলবে
“খারাপ খারাপ কি খারাপ কি
খারাপ খারাপ !!!!”
এখন আর জোড়ে বৃষ্টি পড়ছেনা, হাতে
ঘড়ি নেই, তাই বুঝতেও পারছিনা কয়টা
বাজে, মনে হচ্ছে আরো কিছুক্ষণ যদি
শ্রাবণ ঝরতো !!!! আর কিছুক্ষন যদি ওকে
গায়ে জড়াতে পারতাম !!! আমি একটা
লাইট পোস্ট এর নিছে বসে আছি , মনে
হল বাসায় যাওয়া উচিত, মাথার
চুলগুলো শুকিয়ে গেছে, শরীর সাদা
হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে , মনে হয় জ্বর
আসবে, বাসায় এসেই খুব অস্থির
লাগছিলো, কি ভেবেই যেন খুব জলদি
ড্রয়ার খুললাম, দেখি অনেক গুলো মিস
কল আর এস এম এস, সব পরিচিত মানুষগুলো
আমাকে উইস করেছে, সব গুলোর মাঝে
একটাই অজানা নাম্বার থেকে এস এম
এস, খুলতেই দেখি তাতে লেখা----
“ খারাপ খারাপ কি খারাপ কি
খারাপ কি খারাপ কি খারাপ………”
বৃষ্টির জল শুকিয়ে গিয়ে মনে যেন
মরূভুমির সৃষ্টি হয়েছিলো তাতে কে
যেন এক দুনিয়া পানি ঢেলে দিল, যা
গড়িয়ে পড়ার জন্য আমার চোখ কেই
আশ্রয় হিসবে গ্রহণ করলো !!!!
আমি জানি এটা শ্রাবণের নাম্বার, ও
আমার জন্মদিন কখনই ভুলবেনা,
ওকে এখনই কল করতে হবে, এক অজানা
চাপা আনন্দে মন খুব অস্থির, আজ ওকে
বলে দেব " শ্রাবণ , i love you"
ডায়াল হচ্ছে …………………… মনে মনে
ভাবছি ফোন ধরেই বলবো “ শ্রাবণ “ !!!!
ও বলবে “ জী ইইইইইইইই”------ !!!
♠♠♠
বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৬
একটা শিক্ষামুলক গল্প আশা করি ভাল লাগবে
শিক্ষণীয় একটি গল্প।
মেয়েঃ কিছু বলার ছিলো যদি একটু সময় দাও।
ছেলেঃ বলো।
মেয়েঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
ছেলেঃ বন্ধু হিসেবে তাহলে আজ আমি সফল।কারন আজ আমার বন্ধু আমাকে বলছে সে আমাকে ভালোবাসে।
মেয়েঃ আরে না বন্ধু হিসেবে না।
ছেলেঃ তাহলে নিশ্চয় আমি দেখতে তোমার ভাইয়ের মত তাই ভাই হিসেবে।
মেয়েঃ ধাততেরি। জিবন সজ্ঞি হিসেবে।
ছেলেঃ আস্তে বলো।তুমি কি পাগল?
মেয়েঃ এতে পাগলের কি হলো।
ছেলেঃ তুমি কোন শ্রেণিতে পড়?
মেয়েঃ অষ্টম শ্রেনিতে।
ছেলেঃ আমি কিসে পরি?
মেয়েঃ নবম শ্রেনিতে।
ছেলেঃ তোমাকে কিছু কথা বলি তুমি রাগ করনা।তোমার বাবা মা তোমাকে পড়াশোনা করায় কোনো না কোনো স্বপ্ন পুরন করার জন্য।আমার বাবা মাও আমাকে পড়াশোনা করায় কোনো না কোনো স্বপ্ন বুকে নিয়ে।যদি তোমার কারনে তোমার বাবা মা'র স্বপ্ন ভেজ্ঞে যায় তাতে তোমার বাবা মা' অনেক কষ্ট পাবে।ঠিক আমার কারনে আমার বাবা মা'র স্বপ্ন ভেজ্ঞে গেলেও আমার বাবা মা ততটুকু কষ্ট পাবে যতটুকু তোমার বাবা মা পাবে।আমার একটা বোন আছে। আমার বোন কোনো ছেলের সাথে এধরনের সম্পর্ক করলে আমি যেমন কষ্ট পাব তেমনি তুমি কারো সাথে সম্পর্ক করলে তোমার ভাইও তেমনি কষ্ট পাবে।তাই তোমাকে একজন বন্ধু হিসেবে বলছি, সময়টা কাজে লাগাও।
> জীবনে বড় কিছু পেতে হলে অবস্যই তোমাকে বাজে আনন্দ গুলো হারাতে হবে।
গল্পটা কেমন লাগল অবস্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬
ভালবাসার গল্প- আপনার কি কোন কারনে মন খারাপ
শুধু আমাকে মাঝে মাঝে ভীতু বলো,,
★তুমি আমাকে মাঝে মাঝে ভীতু বলো!
হ্যাঁ আমি অনেক ভীতু একটা ছেলে। কিন্তু জানো কেনো আমি ভয় পাই এতো? কারন তোমাকে আমার জীবনের চাইতেও বেশি ভালবাসি। আর তার জন্যেই সব সময় তোমাকে হারানোর ভয় হয়।
★তুমি আমাকে কিপ্টাও বলো! হ্যাঁ আমি কিপ্টা। কিন্তু জানো কখন কিপ্টামি করি? যখন তুমি আমার জন্য কিছু টাকা খরচ করো । আমি চাই তুমি আমারটা খরচ করো ইচ্ছা মতো।তোমার টা না।
★তুমি আমাকে অবাধ্য বলো!
হ্যাঁ আমি তোমার কথার অবাধ্য হই । কিন্তু জানো কেনো? যাতে তোমার মিষ্টি মুখের কিছু বকা শুনতে পারি। তোমার শাসন গুলো,বকা গুলো ভীষন মিষ্টি লাগে তার জন্যে।
★তুমি আমাকে সেলফিস বলো!
হ্যাঁ আমি সেলফিস। কিন্তু জানো কেনো? কারন আমি চাইনা তোমার ছায়া আর কারো উপরে পড়ুক। তোমার ছায়া শুধু আমার উপরেই পড়বে।
★তুমি আমাকে পাগল বলো মাঝে মাঝে!
হ্যাঁ আমি পাগলামি করি। জানো কেনো? যাতে তুমি একটু মিষ্টি করে হেসে একটা বার বলো আমার পাগল একটা। তোমার হাসির জন্য সব করতে পারি।
★তুমি আমাকে দুষ্টও বলো! হ্যাঁ আমি ভীষন দুষ্টামি করি। কিন্তু জানো কেনো? কারন দুষ্টামি করলে তুমি লজ্জা পেয়ে একটু মাথা নিচু করে দুষ্ট বাবু বলো সেই মুহূর্তে তোমাকে আরো সুন্দর লাগে। হুম তোমাকে ভালবাসি,কত টুকু তা জানিনা কিন্তু এটা জানি আমার জীবনের চাইতেও বেশি। এত ভালবাসার পরেও তোমাকে কষ্ট দেই। কিন্তু সেটা অনিচ্ছায়। তোমাকে কষ্ট দেওয়ার পর আমি অনেক কষ্ট পাই সেটা কি জানো?
জানো আমি তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধ কেনো কখনো না করিনা? জানো কেন বলি তোমার যা মন চায় সব করতে পারো? তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমি কখনো না বলবোনা কারন ঐ না বলায় যদি তোমান মন খারাপ হয় তাই। আমি তোমার সুখ পাখি হতে চাইনা , আমি তোমার চোখের জল হতে চাই। কারন যখন তুমি কষ্ট পাবা তখন যেনো নিজেকে একা না ভাবো। তখন কেউ না থাকলেই আমি থাকবো। তোমার চোখের জলের প্রতিটি ফোঁটা মনে করিয়ে দিবে তোমার সেলফিস মানুষটি তোমার সাথেই আছে। ভালবাসি,ভালবাসবো সারা জীবন। পাশে থাকবো চিরকাল।
,,
★★★শুধু তোমার জন্য★★★
সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৬
রোমান্টিক গল্প
-- রিয়া !!!
আমার টাই টা খুঁজে পাচ্ছিনা।
-- দাঁড়ান আমি খুঁজে দিচ্ছি।
আজ অফিস যেতে অনেক লেইট
হয়ে যাচ্ছে সাব্বিরের।
খুব তাড়াহুড়া করে বের হতে গিয়ে টাই
পড়তে ভুলে গিয়েছে সে।"
-- এই তো। পেয়েছি দাঁড়ান
আমি পড়িয়ে দিচ্ছি।
এই বলে সাব্বিরের পাশে যেতেই
সে রিয়ার হাত
ধরে ফেলে।
-- না প্রয়োজন নেয়। আমি পড়ে নিব, বাই
টেইক
কেয়ার।
সাব্বির অফিসের কাজে বের হয়ে গেল।
এদিকে রিয়া মুখ নিচু
করে এখনো সাব্বিরের
দরজার দিকে তাকিয়ে আছে।
একটু একটু ঝাপসা লাগছে সামনের
সিঁড়িটা।
হয়ত নিয়মিত আজও তার চোখের
কোণে পানিগুলো খেলে বেড়াচ্ছে।
পেছনে কারো হাত তার ঘাড়ে অনুভব
করতে পারল
সে।
চমকে গিয়ে চোখের
পানি মুছতে গিয়ে পুরোটা মুছতে সক্ষম
হলনা।
-- বৌমা।
-- হ...হ্যা আম্মা। কিছু বলবেন. ???
-- তোমার চোখে পানি কেন মা ???
কি হয়েছে ???
-- ও কিছুনা। হয়ত পোকা পড়েছে।
-- মা রে....
আমি সব বুঝি.....!!!
তুই আমাকে ক্ষমা করে দিস।
আজ আমার জন্যে তোর এই অবস্থা।
চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন
রিয়ার শাশুড়ি।
-- ছিঃছিঃ মা আপনি এসব
কি বলছেন. ???
-- হুম ঠিকই বলছি।
তবে একটা কথা মাথায় রাখ, এত
তাড়া ভেঙ্গে পরলে চলবেনা।
একটা ছেলেকে মেয়েরাই ভাল হ্যান্ডেল
করতে পারে।
তুই একদম ভেঙ্গে পরবিনা।
আমি আছি তো।
-- অবশ্যই আম্মা।
আপনি দোয়া করবেন, আমার জন্যে।
*****
জানালার পাশে চায়ের কাপ
হাতে বসে আছে রিয়া।
সামনে গল্পের বই।
আর টিভি ও চলছে।
সিরিয়াল দেখার ফাঁকে ফাঁকে হিরু-
হিরুইন এর
রোমাঞ্চ গুলো বেশ ভাল ভাবেই লক্ষ
করছে সে।
মূহুর্তেই মন টা খারাপ হয়ে গেল তার।
কারণ বিয়ে হয়েছে আজ তিন মাস।
সাব্বির
কখনো টিভির ঐ হিরুর
মতো করে রিয়ালে জড়িয়ে ধরেনি।
সাব্বিরের বাবা- মা এবং রিয়ার
বাবা-মা তখন
একই গ্রামে বসবাস করত।
তাদের দুই পরিবারের মধ্যে বেশ ভাল
সম্পর্ক ছিল
বিশেষ করে সাব্বিরের মা আর রিয়ার
মা,
এরা ছিল একে অপরের শুধু বান্ধবী না।
একে বারে বোনের মতো।
সাব্বিরের বাবার চাকরির
সুবাদে সাব্বিরের
পরিবার গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে গেলেও
রিয়ার
পরিবার গ্রামেই থেকে যায়।
আর সাব্বির ভাল পড়ালেখা করার
জন্যে বাইরে চলে যায়।
পড়া শেষ করে বাংলাদেশে আসার পর
থেকেই
তাকে বিয়ের জন্যে চাপ দেওয়া হয়।
রিয়া ছোট বেলা থেকেই বেশ কিউট
এবং সৌন্দর্যের অধিকারী ছিল।
তখন থেকেই রিয়ার মা কে আগে ভাগেই
সাব্বিরের সাথেই ওর বিয়ের
কথা বলে রেখেছিলেন সাব্বিরের মা।
এখন সব কিছু ঠিকই ছিল।
কিন্তু বিদেশ থেকে আসার পর যে ধরনের
মেয়েদের
প্রতি সাব্বির আকৃষ্ট ছিল,
রিয়া সে ধরনের
মেয়ে নয়।
আর এতে সাব্বিরের অমত থাকা সত্বেও
মায়ের
আদেশে তাকে এই বিয়ে করতে হয়।
তাই আজ পর্যন্ত রিয়ার দিকে ভাল
করে ফিরেও
তাকায়না সে।
রিয়া খুব সাদাসিধা একটা গ্রাম্য
মেয়ে।
লেখাপড়াও করেছে ভাল মত।
কিন্তু অন্যদের মত কোন প্রকার
চঞ্চলতা তার
মাঝে উপস্থিত নেয়। যা সাব্বির
সবসময় ওর
মাঝে খুঁজে বেড়ায়।
সাব্বিরের ফ্রেন্ডদের
মতে রিয়া একটা খ্যাত।
ওর মত মেয়ে বিয়ে করা মানে নিজের
জীবন
নিজেই শেষ করে দেওয়া।
ফ্রেন্ডদের সাথে এসব বিষয়
নিয়ে আলোচনা করার সময় রিয়া অনেক
বার
দেখে ফেলেছিল আর আড়ালে কাঁদত।
*****
বিকেল পার হতেই কাজ কর্ম শেষ
করে আবারও
গল্পের বই এর দিকে মন দিল সে।
একটু পর কি মনে করে আলমারিত
দিকে চোখ পরল
তার।
কিছুদিন আগে একটা ছবির এলবাম
দেখেছিল
সে।
সেখানে সাব্বিরের বেশ কিছু ছবি আছে,
যেগুলাতে ওদের ছোট বেলার ছবিও
থাকার
কথা সাথে সাথে চাবিটা নিয়ে আলমারি খোলে ফটোর
এলবাম টা হাতে নিল সে।
সাব্বিরের ছবি গুলো বেশ সুন্দরই
লাগছে।
সব ছবিতে কিউট
একটা হাসি বিদ্যমান।
বিয়ের পর থেকে এই টাইপের
হাসি কখনো দেখেনি সে।
সারাক্ষণ কেমন জানি মুখটা ভার
হয়ে থাকে তার।
এলবাম টা বেশ বড় ছিল।
ছবি গুলা দেখে শেষ হওয়ার পথে, তাই
সেটা ঠিক
স্থানে আবার রেখে দিতে গেলে সেখান
থেকে ছোট
একটা ডায়েরী রিয়ার চোখে পরে।
এলবামটা আলমারি তে রেখে দিয়েই
ডায়েরীটা হাতে নিয়েই
পড়তে থাকে সে।
বেশ পুরানো ডায়েরী,
এটাতে সাব্বিরের অনেক
মনের কথা লিখা আছে।
কিছু ইন্টারেস্টিং লেখাও ছিল।
স্পষ্ট লিখা আছে শান্তা নামক এক
মেয়ের
সাথে সাব্বিরের ভাল রিলেশন ছিল,
পড়ার
উদ্দেশ্যে বাইরে চলে যাওয়ার সময়
সাব্বির
শান্তাকে কথা দিয়েছিল পড়া শেষ
করে এসেই
তাকে তার ঘরের বৌ করে আনবে।
কিন্তু সাব্বির দেশে ফেরার আগেই
শান্তার
বিয়ে হয়ে যায়।
-- আহারে বেচারা, শেষ মেস ছ্যাঁকা !!!
হিহিহি করে হাসতে লাগল রিয়া।
আবারও ডায়েরীর লেখার দিকে মন দিল
সে।
সেখানে রিয়ার আচরণ, কথা বলার ধরন,
সাব্বিরের প্রিয় কালার, ভাল লাগার
মোমেন্ট
এবং কিছু মিষ্টি অনুভূতির
কথা লিখা আছে।
ডায়েরীটা পড়ে শেষ করল রিয়া।
এবং যেখানে পেয়েছিল সেখানেই
রেখে দিয়েছে।
আসলেই তো শান্তার আচরণের
সাথে রিয়ার
আচরণের অনেক পার্থক্য, এসব হয়ত
সাব্বির খুব
মিস করে।
-- না আর মিস করতে দেওয়া যাবেনা।
এই বলে আবারও মুচকি হাসি দিল রিয়া।
আজ সাব্বির বাইরে ডিনার করে আসার
কথা ছিল।
তাই রিয়া অপেক্ষা না করে রাতের
খাবারটা খেয়ে আবার তার রুমে প্রবেশ
করল।
আলমারি খুলে ডায়েরীটা আবার
হাতে নিলা এবং সাব্বিরের পছন্দের
কি কি ছিল সেগুলাতে চোখ
বুলাতে লাগল।
একটু পর আলমারি থেকে নীল
শাড়িটা বের করল
সে।
সাথে কালো টিপ।
চোখে কাজল দিয়ে, হাত ভর্তি কিছু
রঙ্গিন
কিছু চুড়ি পড়ল।
এভাবে ডায়েরী পড়ে একে একে সব কাজ
সম্পন্ন
করল সে।
আর ডায়েরীতা লিখা ছিল
শান্তা ইচ্ছা করেই
কপালের টিপ টা বাঁকা করে দিত, আর
সাব্বির
সেটা ঠিক করে দিত।
রিয়াও তার ব্যতিক্রম কিছু করলনা।
ইচ্ছা করেই সব ঠিক করলেও টিপ
টা বাঁকা করেই
দিল।
একটু পর কলিং বেলের আওয়াজ
পেয়ে দরজার
দিকে ছুটে যায় সে।
দরজা খুলতেই সাব্বিরের চেহারার
দিকে চোখ
পরে রিয়ার।
সে হা করে আছে, কেমন
জানি বাচ্চা বাচ্চা একটা ভাব
এসেছে তার
চেহারায়।
আজ বরং তাকেই বোকা এবং খ্যাত
মার্কা মনে হচ্ছে।
অবশ্য সাব্বিরের এই বৈশিষ্ট্যের
কথা ডায়েরীতে পড়েনি রিয়া।
অনেক কষ্টে নিজের
হাসি লুকালো রিয়া।
-- হা করে কি দেখেন. ???
ভেতরে আসবেন না ??
নাকি আমাকে দেখে পেত্নী মনে করে ভয়ে পালানোর
চিন্তা করছেন?
এক নিশ্বাসে কথা গুলো বলে ফেলল
রিয়া।
-- ওহ... হ্যা তাই তো।
*****
রুমের জানালা টা খোলা।
রিয়া খাটের এক পাশে বসে আছে।
জানার ফাঁক দিয়ে পূর্ণিমার চাঁদের
আলো সোজা তার চেহারায় এসে পড়েছে।
এই সময়টাই সাব্বির প্রতিদিন ল্যাপটপ
নিয়ে অফিসের কিছু কাজ করে থাকে।
রিয়া কে একটুও সময় দিতনা।
সাব্বিরের এরূপ আচরণ দেখে অন্য
দিকে ফিরে রিয়া মুচকি হাসছে......
নীরবতা ভেঙ্গে রিয়া বলে উঠল,
-- চাঁদে যাবেন. ???
-- হ্যা, চলো। আকাশে পূর্ণিমার
চাঁদটা আজ একটু
স্পেশাল মনে হচ্ছে আমার কাছে।
সেট উপভোগ করা প্রয়োজন।
-- আচ্ছা ঠিকাছে, দাড়ান
আমি চা নিয়ে আসি।
চা খেতে খেতে আড্ডা দিব ছাদে।
*****
চায়ের কাপে এক চুমক দিয়ে আকাশের
দিকে তাকালো সাব্বির।
আরেকবার রিয়ার দিকে তাকালো।
মৃদু বাতাসে রিয়ার সিল্কি চুল
উড়ে বেড়াচ্ছে।
সাব্বিরের খুব ইচ্ছা হচ্ছে রিয়ার
সাথে একটু
গা ঘেঁষে দাঁড়াতে।
কিন্তু কোথায় যেন বাঁধা পাচ্ছে সে।
কেন যে এতদিন খারাপ আচরণ করেছিল
তার
সাথে !!
আজ রিয়ার চেহেরা থেকে চোখ
সরছেনা তার।
চেহারায় বেশ মায়া, চোখ
গুলো টানাটানা এ যেন
মানুষ রূপি কোন পরী তার
সামনে দাড়িয়ে আছে।
সাব্বিরের এমন
বোকা বোকা চেহারা আগে কখনো লক্ষ
করেনি রিয়া।
আজ আড়চোখে তার দিকে তাকাচ্ছে আর
হাসছে সে।
একটু পর নীরবতা ভেঙ্গে সাব্বির
বলে উঠল।
-- আচ্ছা, কখনো কি এমন কথা ছিল
যে চাঁদ
একসাথে দুইটা দেখা যাবে ???
-- না তো। আমি তো এই টাইপের
কথা কখনো শুনিনাই।
হঠাৎ এ কথা কেন বলছেন. ??
অবাক হয়ে বলতে থাকে রিয়া।
-- না মানে আজ দুইটা চাঁদ এক
সাথে দেখার
সৌভাগ্য হয়েছে আমার।
-- কোথায় দেখি ???
-- হুম দেখাব যদি কাছে আসো ।
সাব্বিরের কথা শুনে রিয়া লজ্জাই লাল
হয়ে যায়।
আর এখনো আগের জায়গায় দাড়িয়ে আছে।
তার এই অবস্থা দেখে সাব্বির নিজেই
এগিয়ে যায়।
আর রিয়ার গালে হাত রেখে বলে এই
তো....!!!
একটা চাঁদ আকাশে। আরেকটা চাঁদ আমার
সামনেই।
যাকে ধরার সৌভাগ্য হয়েছে আমার।
যা আগে কাছে থাকার পর ও দেখার
জন্যে ঐ
মেগাফিক্সেল এর চোখ ছিল না।
রিয়া চুপচাপ সাব্বিরের
কথা শুনে যাচ্ছে।
মুখ দিয়ে কিছু বের হয়েও কেন
জানি আটকে যাচ্ছে।
-- একি সব কিছু ঠিক মত করে। টিপ
টা ঠিক
করে দিতে পারলেনা ???
দাঁড়াও আমি ঠিক করে দিচ্ছি......
আহ...
প্রিয়জনের প্রথম স্পর্শ. !!!
সত্যিই উপভোগ করার মত।
ভালবাসার পূর্ণতা পাওয়া যায় এমন
মানুষকে কাছে পেলেই।
যাকে আমরা সর্বদা কল্পনার
রাজ্যে সাজিয়ে থাকি।
♥♥♥http://Jebonerdiary.blogspot.com♥♥♥
ভালবাসার কবিতা - "কারো জন্য বুকের মধ্যে শুন্যতা অনুভব করার নাম ভালবাসা,,
শূন্যতা অনুভব করার নাম ভালবাসা?
তীব্র ইচ্ছার নাম ভালবাসা?
ছটফট করার নাম ভালবাসা?
নাম ভালবাসা?
সুখি ভাবার নাম ভালবাসা?
কেঁদে ফেলার নাম ভালবাসা?
কিছু পাওয়ার আশা করার নাম ভালবাসা?
করার নাম ভালবাসা?
রাত পার করার নাম ভালবাসা?
তার আশায় থাকার নাম ভালবাসা?
কাঁদতে পারে, জেনে রাখেন ঐ ছেলের মত ভালবাসাতে আপনাকে পৃথীবির আর কেউ পারবে না
,
www.jebonerdiary.blogspot.com
একটি মেয়ে তার বয় ফ্রেন্ডকে বলল, কেন তুমি আমাকে এত ভালবাস,,,
একটি মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে
জিজ্ঞেস
করল
.
- কেন তুমি আমাকে এত ভালোবাস?
ছেলেটি জবাব দিল...
- কারন আমার জানা নেই ।
.
মেয়েটির ভাল লাগল না উত্তরটা
এবং
সে বলল
- না আমাকে একটা কারন দেখাও।
- ওকে। কারন তুমি দেখতে অনেক
সুুন্দরী,
স্মার্ট এবং আকষর্নীয়।
.
মেয়েটি তার কথায় সন্তুষ্ট হল।
.
তারপর একদিন মেয়েটির অসুখ হল।
সুস্থ
হবার পর তার রুপ লাবণ্য অনেক কমে
গেল
এবং সে দেখতে চিকন এবং দুর্বল
হয়ে
গেল।
.
পরে মেয়েটি এবং ছেলেটির
দেখা
হবার পর মেয়েটি বলল
- তুমি কি এখনো আমায় ভালবাস?
- না। এখন তুমি আর সুুন্দরী এবং
আকর্ষণীয়
নও। তাই কারন অনুযায়ী আমি আর
তোমাকে ভালবাসি না।
.
মেয়েটি কাঁদতে শুরু করে দিলো।
মেয়েটির চোখের জল তার নরম গাল
বেয়ে মাটিতে পরার আগেই
ছেলেটি
তার হাত দিয়ে চোখের জল মুছে
দিল।
তারপর ছেলেটি তার হাত ধরে বলল
- এখন বুঝেছ যে, ভালবাসা কোনো
কারন দিয়ে হয়না।
.
আমি তোমাকে ভালবাসতাম,
এখনো
বাসি এবং ভবিষ্যতেও বাসবো। আর
তা
কোনো কারন ছাড়াই।
💕💙💕💙💕💙💐💐💐💐
www.jebonerdiary.blogspot.com
দুষ্ট মিষ্ট ভালবাসার গল্প কেউ এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ,,
ছেলে :- তোমার পা
দেখাও।
মেয়ে :- পা দেখে কি
করবে ?
ছেলে :- (রেগে) যা
বলছি তাই করো, পা
দেখাও।
মেয়ে :- না দেখাব না।
ছেলেটা একটা থাপ্পড়
মেরে দিল।
ছেলে :- (আরো রেগে)
বলছি পা দেখাও।
মেয়ে :- মেয়েটি গালে
হাত দিয়ে ধীরে
ধীরে জুতা খুললো।
ছেলেটা মেয়েটার পায়ে
দেখল বেশ কিছু
ব্লেটের দাগ। তখন
ছেলেটার চোখে অশ্রু
চলে এল। ছেলেটা
সাথে সাথে উঠে পড়ল
এবং মানিব্যাগ
থেকে একটি ব্লেট
বের করল। মেয়েটা
সাথে
সাথে ছেলেটার হাত
ধরে ফেলল।
মেয়ে :- (কেঁদে কেঁদে)
এই তুমি এটা কি
করছ ?
ছেলে :- যা তুমি করেছ।
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর
না।
ছেলে :- তুমি কেন
করেছ ?
মেয়ে :- তো তুমি কাল
আমার মেজাজ গরম
করেছিলে কেন ?
ছেলে :- তাই বলে
এভাবে নিজেকে কষ্ট
দেবে ?
মেয়ে :- মাথা গরম হলে
এটাই করি।
ছেলে :- এটা করে কি
হয় ?
মেয়ে :- জানি না। তবে
সাময়িক শান্তি
পাই।
ছেলে :- আমিও করব
এখন।
ছেলেটা ব্লেট খুলতে
শুরু করল।
মেয়ে :- প্লিজ
প্লিজ,এটা কর না।
(ছেলেটা তবুও থামছে
না। অবশেষে মেয়েটা
কোনো উপায় না পেয়ে
ছেলেটাকে জড়িয়ে
ধরল। মেয়েটার
ভালোবাসার উষ্ণতা
পেয়ে
ছেলেটা থেমে গেল)
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর
না। তোমার কষ্ট আমি
সইতে পারব না।
ছেলে :- আমিও তো
তোমার কস্ট সইতে
পারি
না। তাহলে তুমি কেন
এমন করলে ?
মেয়ে :- আর কখনো
করব না।
ছেলে :- প্রমিজ ?
মেয়ে :- হুম প্রমিজ।
ছেলে :- আচ্ছা সবাই
হাত কাটে তুমি পা
কাটলে কেন ?
মেয়ে :- যাতে কেউ
দেখতে না পাই
সেইজন্য।
ছেলে :- বুদ্ধি গুলো
ভালকাজে ব্যবহার
করো,
মেয়ে :- আচ্ছা ঠিক
আছে, করব।
মেয়েটা ছেলেটার বুক
থেকে সরে আসতে
চাইল। কিন্তু ছেলেটা
আরো জোরে জড়িয়ে
ধরল।
মেয়ে :- ছাড়।
ছেলে :- না। ছাড়ব না।
মেয়ে :- (সরে আসার
চেষ্টা) ছাড় বলছি।
ছেলে :- তাহলে কিন্তু
আবার ব্লেট বের
করব।
মেয়ে :- ব্ল্যাকমেইল ?
ছেলে :- না। ভালবাসার
উষ্ণতা।
.
.
(মেয়েটা ছেলেটাকে
আরেকটু শক্ত করে
জড়িয়ে ধরল)
একেই বলে রিয়েল
লাভ........
